আমার প্রিয় প্রতিযোগিতা

সংখ্যা:

আজ খুব আনন্দ লাগছে। আমার ছাত্রজীবনে এতো আনন্দ আর লাগেনি কখনো। আমাদের মাদরাসার ছাত্র সংসদের উদ্যোগে মনোমুগ্ধকর একটা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান ছিলো আজ। এর আগে কখনো কোনো প্রতিযোগিতায় আমি অংশগ্রহণ করিনি। আজ করলাম। প্রতিযোগিতার ফলাফল কী দাঁড়াবে, এ নিয়ে ভেতরে ভেতরে একটা কৌতূহল কাজ করছে ঠিক, কিন্তু টেনশন লাগছে না। ফলাফল যা-ই আসুক, প্রতিযোগিতায় যে অংশগ্রহণ করতে পেরেছি, এটাই তো বেশ!

আমার আনন্দের কারণ মূলত এটাই। সহপাঠীদের কেউ কেউ মনে করে, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে যদি বিজয়ী হতে না পারি, তবে তো লজ্জা! লোকে কী বলবে! এই মনোভাব থেকে অনেকে প্রতিযোগিতায় আসে না। আসলে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করলে বিজয়ী যে হতেই হবে, এমন তো কোনো কথা নেই। প্রতিযোগিতা হলো প্রতিভা বিকাশের মাধ্যম। এখানে বিজয়টা মুখ্য না, বরং মেধাভিত্তিক লড়াইয়ের মাধ্যমে নিজের প্রতিভাকে শাণিত করাই প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য। একটা প্রবাদ আছে- ‘জীবনকে যদি উন্নত করতে চাও, তবে প্রতিযোগিতায় নাম লেখাও।’

মেধা যাচাইয়ের যেকোনো ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করলে নিজের ভেতর প্রতিযোগিতামূলক একটা মনোভাব তৈরি হয়। এই বোধটাই আমাকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে উদ্বুদ্ধ করে।

 

লেখক : শিক্ষার্থী, হেদায়াতুন নাহু, জামিয়াতুত তায়্যিবাহ, সুলতানপুর সিলেট

ট্যাগ :

সম্পাদক
তামীম রায়হান

নির্বাহী সম্পাদক
সালাহউদ্দীন জাহাঙ্গীর

প্রকাশনা ব্যবস্থাপক
আসাদুল্লাহ খান

নবধ্বনি/নবপ্রকাশ | দোকান নং-২৭ | ২য় তলা | ইসলামী টাওয়ার | ১/১১ বাংলাবাজার | ঢাকা
সার্কুলেশন: ০১৯৭৪৮৮৮৪৪১