হাফপ্যান্ট পরা ছেলেটি খুবই চটপটে। সাহসও কম না। ছোঁ মেরে খানের পকেট থেকে বের করে আনলো কলম। আঁকতে শুরু করলো উদ্দেশ্যহীনভাবে। নষ্ট করে ফেললো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রবন্ধ। কিন্তু কথা বলছেন না তিনি। অস্থির হয়ে উঠলেন ছেলের বাবা। হাত বাড়ালেন। টেনে নিতে চাইলেন ছেলেকে। কিন্তু তিনি দেবেন না। কোলে বসে ছেলেটি কী করে দেখবেন। সে নির্ভীক। দ্বিধাহীন। আঁকতেই আছে। যেনো আনন্দে আত্মহারা। ছেলেটির দুষ্টুমিতে অতিষ্ঠ বাবা। রাগে ফেটে পড়ছেন মনে মনে। লজ্জায় কুঁকড়ে যাচ্ছেন। খানের মুখে কোনো কথা নেই। তিনি দেখছিলেন আর হাসছিলেন। কথা বলে উঠলেন কবি তালিম হুসেন। আশ্চর্যান্বিত হয়ে বলতে লাগলেনÑ ‘এই ছেলে এখনই যে কাজ করেছে, বড় হয়ে না জানি কলম দিয়ে কী করে। খানের পকেট থেকে কলম নিয়ে লেখা শুরু করেছে, বাপরে বাপ!’
মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের পকেট থেকে কলম নিয়ে তারই প্রবন্ধের উপর আঁকিবুঁকি করছে যে ছেলেটি, সে কে?
সে হুমায়ূন। হ্যাঁ, হুমায়ুন আহমেদ। প্রয়াত কলম জাদুকর। বাংলাভাষার জনপ্রিয় গল্পকার-ঔপন্যাসিক।
হুমায়ূনের বাবা ফয়েজ উদ্দীন আহমেদ জীবনের শুরুতে ‘নয়া যামানা’ পত্রিকাতে চাকরি করতেন। একসাথে কাজ করার বদৌলতে মুহিউদ্দীন খানের সাথে তার ছিলো গলায় গলায় ভাব। অন্যরকম মিতালী। একদিন হুমায়ূনকে নিয়ে খান সাহেবের সাথে দেখা করতে যান। আর তখনই হুমায়ূন এই আশ্চর্যকাণ্ডের জন্ম দিয়ে লেখালেখির সূচনা করেন।
দুই
শিশু হুমায়ূন কৈশোরের দূরন্তপনা পেরিয়ে এখন টগবগে যুবক। আঁকিবুঁকির মাধ্যমে সেই যে লেখালেখির সূচনা করেছিলেন এখন তিনি প্রতিষ্ঠিত লেখক। পাঠকপ্রিয় কলম জাদুকর। জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। আধুনিক বাংলাভাষার প্রথমসারির গল্পকার-ঔপন্যাসিক। দর্শকপ্রিয় নাট্যকার। সব মিলিয়ে বইয়ের সংখ্যা তার তিনশো ষাট।
তার বাবা ছিলেন খুবই ধার্মিক ব্যক্তি। স্ত্রীর পরিবারও যথেষ্ট ধার্মিক। কিন্তু হঠাৎ করে আর দশজন যুবকের পাল্লায় পড়ে তার জীবনের মোড় ঘুরে যায়। ‘মদিনা’র যাত্রী পাড়ি জমাতে চায় পশ্চিমায়। পরিবর্তন হয় চিন্তা-ধারায়। অনেকটা দূরে সরে পড়েন ইসলামি আদর্শ থেকে। গ্রহণ করেন ভিন্নমত। লালন করেন অন্যচিন্তা। ইসলামিস্টদের কাছে কাছে ট্যাগ খান নাস্তিক্যের।
তিন
প্রকাশনা সংস্থা ‘অন্যপ্রকাশ’-এর নতুন বিক্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন উপলক্ষে দাওয়াত করা হলো মাওলানা মুহিউদ্দীন খানকে। দাওয়াত করা হলো হুমায়ূন আহমেদকেও। রীতিমতো উদ্বোধনের পর দোয়া করেন খান সাহেব। সবার সাথে অংশগ্রহণ করেন হুমায়ূনও। খান সাহেবের দোয়ায় তার ভেতরের ঘুমন্ত প্রকৃত হুমায়ূন জেগে উঠলো। আবারো ঘুরতে শুরু করলো জীবনের মোড়। হুমায়ূন আহমেদের ভাষায়- ‘আমি খুবই অবাক হয়ে তার প্রার্থনা শুনলাম। আমার কাছে মনে হলো, এটি বইপত্র সম্পর্কিত খুবই ভালো ও ভাবুক ধরনের প্রার্থনা। একজন মাওলানা এতো সুন্দর করে প্রার্থনা করতে পারেন যে, আমি একটা ধাক্কার মতো খেলাম। মাওলানা সাহেবকে ডেকে বললাম, ‘ভাই, আপনার প্রার্থনাটা শুনে আমার ভালো লেগেছে।’
মাওলানা সাহেব বললেন- ‘আমার জীবনের একটা বড় আকাক্সক্ষা ছিলো আপনার সঙ্গে একদিন দেখা হবে। আল্লাহ আমাকে সেই সুযোগ করে দিয়েছেন। আপনার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে।’
আমি তার কথা শুনে বিস্মিত হলাম। আমি বললাম- ‘এই আকাঙ্খাটি ছিলো কেন?’
মাওলানা সাহেব বললেন- ‘আপনার সঙ্গে দেখা করতে চাই, কারণ আমি ঠিক করেছি, দেখা হলেই আপনাকে আমি একটা অনুরোধ করবো।’
-‘কী অনুরোধ শুনি?’
-‘আপনার লেখা এতো লোক আগ্রহ নিয়ে পড়ে, আপনি যদি আমাদের নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের জীবনীটা লিখতেন, তা হলে বহু লোক লেখাটি আগ্রহভরে পাঠ করতো। আপনি খুব সুন্দর করে তাঁর জীবনী লিখতে পারতেন।’
মাওলানা সাহেব কথাগুলো এতো সুন্দর করে বললেন যে, আমার মাথার ভেতরে একটা ঘোর তৈরি হলো। আমি তার কাঁধে হাত রেখে বললাম- ‘ভাই, আপনার কথাটা আমার খুবই মনে লেগেছে। আমি নবি করিমের জীবনী লিখবো।’
(সূত্র : দৈনিক কালের কণ্ঠের সাময়িকী ‘শীলালিপি।’ ২১ অক্টোবর ২০১১)
চার
নড়েচড়ে বসলেন হুমায়ূন আহমেদ। ভাবতে লাগলেন মাওলানার কথা। তিনি মাথায় ঘোর লাগিয়ে দিয়েছেন। তার অনুরোধ উড়িয়ে দেয়া যায় না। তিনি তার পিতার প্রিয়বন্ধু। লিখতে হবে নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামের জীবনী। বিষয়টি খুবই জটিল, বড় সেনসেটিভ। কোথাও একটু উনিশ-বিশ হলেই সমূহ বিপদের সম্ভাবনা। তিনি পড়তে শুরু করেন নবিজির সিরাত। মদীনা পাবলিকেশন্স তো আছেই। আছেন বাংলাভাষায় সিরাত সাহিত্যের পথিকৃৎ খান সাহেব। তার রচিত সব সিরাতগ্রন্থ সংগ্রহ করে স্টাডি শুরু করলেন। কাজ করতে থাকেন তার পরামর্শ নিয়ে। গুরুত্বপূর্ণ এই কাজে যাতে মন বসে আর শেষ করা যায় দ্রুত, খুব দ্রুত, এজন্য তিনি অন্যদিন-এর মাসুমকে বললেন- ‘তুমি একটা সুন্দর কভার তৈরি করে দাও তো। কভারটা চোখের সামনে থাকুক। তা হলে আমার শুরু করার আগ্রহটা বাড়বে।’
কাভার তৈরি হয়ে গেলো। বইয়ের নাম রাখা হলো- ‘নবীজি’।
‘নবীজি’ লেখা হয়েছে মাত্র ক’লাইন। অমনি তার মাথায় ঢুকে গেলো একটা ছেলেমানুষি। রেখে দিলেন হাত থেকে কলম। বন্ধ করলেন ‘নবীজি’ লেখা। কারণ কী? হুমায়ূন বলেন- ‘আমি শুনেছি বহু লোক নাকি আমাদের নবিজিকে স্বপ্নে দেখেছেন। কিন্তু আমি তো কখনো তাকে স্বপ্নে দেখিনি। আমি ঠিক করলাম, যেদিন নবিজিকে স্বপ্নে দেখবো, তার পরদিন থেকে লেখাটা শুরু করবো। স্বপ্নে এখন পর্যন্ত তাঁকে দেখিনি। যেহেতু এক ধরনের ছেলেমানুষি প্রতিজ্ঞার ভেতর আছি, সে কারণে লেখাটা শুরু করতে পারিনি। ব্যাপারটা হাস্যকর। তবু আমি স্বপ্নের অপেক্ষায় আছি।’
পাঁচ
‘নবীজি’ লেখা আপাতত বন্ধ। নবি সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামকে দেখার পর আবার শুরু করবেন। প্রবল এই আকাক্সক্ষাটি নিয়ে একদিন হাজির হলেন জাতিসত্তার আলোর মিনার, আঁধার ঘরের বাতি মাওলানা খানের দরবারে। খান সাহেব তার হাতে তুলে দিলেন স্বরচিত জনপ্রিয় গ্রন্থ ‘স্বপ্নযোগে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম’। হুমায়ূন আবেগাপ্লুত হয়ে বইটি নিয়ে বাসায় চলে এলেন। পড়তে থাকলেন এবং বারবার পড়তে থাকলেন।
ছয়
মরণব্যাধি ক্যান্সার হুমায়ূনকে আক্রমণ করলো। উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি চলে যাবেন আমেরিকায়। যাওয়ার আগের রাতে স্ত্রী শাওনকে বললেন- ‘আমার জায়নামাজ, তাসবিহ আর মুহিউদ্দীন খানের ‘স্বপ্নযোগে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম’ গ্রন্থটি লেদারে ভরে রেখো।’
বামপন্থী নাস্তিক হিসেবে পরিচিত বাংলাসাহিত্যের অন্যতম শীর্ষ লেখক হুমায়ূন আমেরিকায় পাড়ি দিলেন এই তিনটি জিনিস নিয়েই। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হুমায়ূন নিয়মিত ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতেন। তাই দেখে তার ভায়রা (গুলনিকেতনের ফুফাতো বোনের স্বামী) জামাল আবেদীন খোকা নতুন তাসবিহ-জায়নামাজ কিনে দিলেন। শেখালেন নামাজের ভেতর-বাইরের বিভিন্ন দোয়া-দরুদ। সময়ের সাথে সাথে যেনো পাল্টে যেতে লাগলো সবকিছু। খুব দ্রুতই হুমায়ূন আবিস্কার করছেন স্বচ্ছ একটি জীবনের। যে জীবনে আল্লাহ, রাসুল, ফেরেশতা, কিতাব, কবর, হাশর, জান্নাত ও জাহান্নমের বিশ্বাস উপস্থিত।
সাত
আমেরিকায় থাকাকালীন লেখালেখির বিষয়ে বারবার তিনি জিজ্ঞাসিত হতেন। মৃত্যুর মাস কয়েক আগে বিবিসি’র অর্চি অতন্দ্রিলা প্রশ্ন করেছিলেন- ‘আপনি শেষ পর্যন্ত লেখালেখি চালিয়ে যেতে চান?’ উত্তরে হুমায়ূন আহমেদ বলেছিলেন- ‘আমি পারবো কিনা জানি না। আমার গোপন ইচ্ছা এবং প্রগাঢ় ইচ্ছা হচ্ছে- মৃত্যুর এক-দু’ঘণ্টা আগেও বাংলা গদ্য লিখতে পারি, যেন হা-হুতাশ করে আমি না মরি। আল্লাহকে স্মরণ করে করে মরতে পারি। আমি সেই গদ্যটি লেখার জন্য অনেক সাধনা ও স্টাডি করছি।’
এজন্য খোকাকে একদিন বললেন- ‘আমি একটি জিনিসের অপেক্ষায় আছি। সেই ইচ্ছেটা পূরণ হলে লিখতে বসবো। তুমি আমার জন্য কাগজ কলম এনে রেখো। জীবনের শেষ লেখাটা শুরু করতে হবে হয়তো।’
আট
আমেরিকার আকাশ তখন অন্ধকারের চাদরে আবৃত। যদিও স্থানে স্থানে লাইটপোস্ট, তা কি আর সূর্যের মতো কিরণ বিলাতে পারে? নীরব, নিস্তব্ধ প্রকৃতির ঘুম ভাঙালেন হুমায়ূন। ধড়ফড় করে বিছানা থেকে উঠলেন। অজু-গোসল করে কলম হাতে খাতা নিয়ে বসলেন। ঝকঝকে সাদা কাগজের বুকে চিকচিকে কালো কালির খসখসানি তুললেন। কী করবেন হুমায়ূন? কী লিখবেন তিনি? জীবনের শেষ লেখাটি কী হবে? প্রকৃতির প্রশ্নবাণের উত্তরে হুমায়ূন যেনো বললেন- ‘প্রতিজ্ঞা ছিলো, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামকে স্বপ্নযোগে দেখেই ‘নবীজি’ লেখা আবারো শুরু করবো এবং শেষও করবো। আর এটাই হয়তোবা আমার জীবনের শেষ লেখা।’
‘নবীজি’ হচ্ছে হুমায়ূন সাহিত্যের সবচে’ দামি শিল্পকর্ম। ‘লীলাবতীর মৃত্যু’ গ্রন্থে স্থান পেয়েছে হুমায়ূনের অপ্রকাশিত কিছু রচনা। গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় তার মৃত্যুর পরে। ভূমিকা লেখেন তারই স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন। ভূমিকায় হুমায়ূনের সর্বশেষ শিল্পকর্ম ‘নবীজি’-কে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে দেখানো হয়।
নয়
জীবনের পড়ন্ত বিকেলের হুমায়ূন আর যুবক হুমায়ূনের মাঝে পার্থক্য আকাশ-পাতাল। যুবক হুমায়ূনকে নাস্তিক বললেও অস্তমিত (প্রয়াত) হুমায়ূনকে নাস্তিক বলা দুষ্কর। যার জীবনের শুভ সূচনা হয় ধর্মীয় আঙ্গিনায়, তার মৃত্যুও হবে ধর্মীয় সাজসজ্জায়। এটাই স্বাভাবিক। কারণ ‘সবকিছু তার মূলের দিকেই প্রত্যাবর্তিত হয়’। যৌবনের মৌবন তাকে কিছুদিন আত্মপরিচয় ভুলিয়ে দেয়। জিয়নকাঠির পরশে আবারো তার অন্তরাত্মা জেগে ওঠে। তিনি তার ভুল বুঝতে পারেন। যদিও শোধরাবার সময় ছিলো খুবই অল্প। মুহিউদ্দীন খানের প্রভাবে হুমায়ূন এতোই প্রভাবিত হয়েছেন যে, বলা যায় হুমায়ূন বেঁচে থাকলে ইসলামের অনেক অনেক কাজ হতো, যা অকল্পনীয়।
দশ
মৃত্যুবরণ করলেন হুমায়ূন আহমেদ। ঠিক উপন্যাসের অদ্ভুত নায়কের মতো। রেখে গেলেন রহস্যময় একটি জীবন। মৃত্যুবরণ করলেন উজ্জ্বল আলোর মিনার মাওলানা খানও। জীবনের মোড় ঘুরাবার যে শক্তি ছিলো খান সাহেবের তা অন্য কারো কাছ থেকে পাওয়া দুষ্কর। যুগ যুগ অতিবাহিত হয়ে যাবে, কিন্তু একজন মাওলানা খানের দেখা পাবে না তৃষ্ণার্ত পৃথিবী। সেই মাওলানাকে কিভাবে দেখতেন হুমায়ূন? চলুন, একটু দেখি।
যখনই প্রয়োজন হতো হুমায়ূন একাই চলে যেতেন মাওলানার কাছে। একবার সাথে নিয়ে গিয়েছিলেন স্ত্রী-সন্তানদেরও। তিনি মেয়েদের কাছে খান সাহেবকে পরিচয় দিয়েছিলেন- ‘তোমাদের দাদুভাই, আমার পিতা’ বলে। মাওলানা সৈয়দ আনওয়ার আব্দুল্লাহ ও মাওলানা রুহুল আমীন সাদির এক সাক্ষাতকারে হুমায়ূন বলেছিলেন- ‘বইমেলায় সবাই আমার বই নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন আর আমি মুহিউদ্দীন খানের লেখা নতুন বই খুঁজি। এই যে তার লেখা ‘কুড়ানো মানিক’, এটা আমার পড়া সর্বাদিক পঠিত গ্রন্থ।’
তিনি তাদের আরো বলেন- ‘এই শহরে একজন আলেম আছেন। দারুণ লিখতে পারেন। সমীহ করি। বাবার মতো শ্রদ্ধা করি সেই মনীষীকে। বেশ শক্ত তার কলম। তিনি মাওলানা মুহিউদ্দীন খান। মাসিক মদীনার সম্পাদক। তিনি আমার পিতার প্রতিচ্ছবি। আমার বাবা একাত্তরের শহিদ ফয়জুর রহমান আহমদ ছিলেন মদীনা পত্রিকার পাঠক। মা-ও মদীনা পড়তেন। প্রতিমাসে ডাকপিয়ন বাসাতে মদীনা দিয়ে যেতো। ক’দিন আগে হুজুরকে দেখতে তার অফিসে গিয়েছিলাম মোহনলালের মিষ্টি নিয়ে। পা ছুঁয়ে কদমবুছি করতেই কিংবদন্তি আলেম জড়িয়ে ধরেছিলেন। আমি কেঁদে দিয়েছিলাম। যেনো বাবার সামনে দাড়িয়ে আছি।’
লেখক : কিশোর সাহিত্যকর্মী, সিলেট
