আম্মাজান

সংখ্যা:

‘বেশ কিছুদিন আগের কথা। আম্মু যদিও প্রায়সময়ই অসুস্থ থাকেন। তবে সেদিন সন্ধ্যার পর আম্মুর অবস্থা খারাপ থেকে খারাপতর হচ্ছিল। ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছিল। সামান্য শক্তিটুকুও অবশিষ্ট ছিলোনা শরীরে। জ্ঞান হারাচ্ছিলেন বারবার। আমরা কেউ তখন বাড়িতে ছিলাম না। দু’ভাই ছিলাম বাইরে আর আব্বু মাদরাসায়। এশারের পর আব্বু ঘরে গিয়ে দেখেন আম্মু জ্ঞানহীন বিছানায় পড়ে আছেন। দিশেহারা হয়ে পড়েন আব্বু। কী করবেন বুঝে পান না। পাশের বাসায় গিয়ে ডাকাডাকি করলে তারা এসে কিছুক্ষণ সেবা শুশ্রূষা করে। জ্ঞান ফিরে আসে আম্মুর। পিটপিট করে চোখ খোলেন। অসহায় দৃষ্টিতে এদিক-সেদিক চোখ ফিরিয়ে আবার চোখ বন্ধ করেন। জ্ঞান হারান আবার। রাত তখন সাড়ে এগারোটা। হাসপাতাল বেশি দূরে নয়। গাড়ি পাওয়া গেলে মিনিট ত্রিশেক হয়তো লাগবে। দুজন ছাত্র গিয়ে গাড়ি নিয়ে এসেছে। ধরাধরি করে উঠানো হলো গাড়িতে৷ প্রতিবেশীরা সাহায্য করলো এতে। অন্ধকারের পর্দা ভেদ করে হাসপাতালের দিকে ছুটতে শুরু করলো গাড়ি। পথ তখন অনেক দীর্ঘ মনে হচ্ছিল। ছুটছে তো ছুটছেই গাড়ি। পথ যেন শেষ হবার নয়। এ যাত্রা যেন অনন্তের দিকে…!’

আসরের নামাজ শেষে বাইরে বেরুলাম। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। ঝড়ের পূর্বে প্রকৃতির গুমোট ভাবটা বিরাজ করছে এখন। কালো মেঘ খণ্ডগুলো বিচ্ছিন্নভাবে উড়ে বেড়াচ্ছে আকাশের বুকে।ভু-তটে ছড়িয়ে আছে ভ্যাপসা গরম।

বাতাস বইতে শুরু করেছে। ধুলি উড়ুক্কু সারা মাদরাসায়। দাঁড়ানোর জো নেই কোথাও। প্রশান্তির তালাশে উঠে গেলাম ছাদে। বাতাসের শীতল ঝাপটা আছড়ে পড়ছে গায়ে। দেহ-মনে বয়ে যাচ্ছে শীতল শিহরণ। মাথাটা উঁচিয়ে ফুসফুস ভরে শ্বাস নিতে লাগলাম। আরো কয়েকজনকে দেখা যাচ্ছে ছাদের রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে আছে। উত্তর-পূর্ব কোণে আছে ক্লাসের উচ্ছল তবে বিনয়ী ছাত্র আহমাদ। উদাস দৃষ্টে চেয়ে আছে আকাশের দিকে। চেহারায় লেপ্টে আছে আকাশের কালো ছায়া। আকাশের বিষন্নতা যেন ছুঁয়ে গেছে তাকেও।

চুপচাপ গিয়ে পাশে দাঁড়ালাম। কয়েকবার চোখাচোখি হলেও কথা হলো না। সে হয়তো কিছু একটা আড়াল করতে চাচ্ছে। নিরবতা ভেঙে প্রথম কথাটা আমিই বললাম।

‘মন খারাপ নাকি?’

‘হুম!’ তার সংক্ষিপ্ত উত্তর।

‘কারণটা জানতে পারি?’

‘বলতে ইচ্ছে করছে না।’

বুঝলাম তার ভেতরে কিছু একটা সুপ্ত রয়েছে। এ মুহূর্তে কারো সঙ্গ দরকার। নয়তো তার মন আরো খারাপ হয়ে যাবে। দাঁড়িয়েই রইলাম আমি। সেও হয়তো চাচ্ছিল মনের কথা কারো সাথে শেয়ার করতে। কষ্ট ভাগাভাগি করে কিছুটা হালকা হতে। আর এ মাদরাসায় তার সম্পর্কে আমার চেয়ে বেশি অবগত অন্য কেউ নেই। তাই প্রথমদিকে বলতে না চাইলেও শেষে আমাকে দৃঢ় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে সে নিজ থেকেই বলতে শুরু করলো।

‘রাত বারোটা চল্লিশ মিনিটে গাড়ি গিয়ে পৌঁছলো মেডিকেলে। নিয়মিত কোন ডাক্তার তখন ছিল না সেখানে। আর এতরাতে থাকার কথাও না। ইমারজেন্সি বিভাগ খোলা ছিল। অভিজ্ঞ কোন ডাক্তার না থাকায় তারা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বললো। আর দুর্বলতা কাটানোর জন্য একটি স্যালাইন দিলো। শীর্ণ হাতে গেঁথে দিলো সুঁই। ফোঁটা ফোঁটা স্যালাইন প্রবেশ করতে লাগলো শরীরে। বেডের পাশে পাতা সোফায় গা এলিয়ে দিলেন আব্বু। সারাদিনের ক্লান্তি ও দৌড়-ঝাপের দরুন মুহূর্তেই হারিয়ে যান ঘুমের অতলে।

রাত চারটায় ঘুম ভেঙে যায়। এটাই আব্বুর নিয়মিত রুটিন। সাকুল্যে দু’ঘন্টা ঘুম হয়েছে। এখানে সবচেয়ে কাছের মসজিদটি হাসপাতালের গেটের পাশে। সেখানে গিয়ে অজু করে দাঁড়িয়ে যান প্রভুর সামনে। আম্মুর সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করেন দু’হাত তুলে। অঝোর ধারায় কেঁদেকেটে দোয়া করেন। এরপর আবার ফিরে যান কেবিনে। আম্মু তখনো গভীর ঘুমে অচেতন। স্যালাইন অর্ধেক শেষ। বাঁ হাতটি কেমন যেন ফোলা ফোলা লাগছে। সকালে ডাক্তারকে জানাতে হবে—এই ভেবে বসে বসে তিলাওয়াত করতে লাগলেন মনে মনে।

ডাক্তার রাউন্ড দিতে এলো সকাল নয়টায়। স্যালাইন তখন প্রায় শেষ। আম্মুর ঘুম ভেঙেছে সকালে। হাতে প্রচন্ড ব্যথা করছে। ফোলাটাও বেড়েছে অনেক। ডাক্তারকে অবহিত করলে সে বললো তেল মালিশ করার জন্য। তেল মালিশ করলেই নাকি সেরে যাবে।

দুপুরের পর হাতের ব্যথা চরমে গিয়ে পৌঁছলো। স্যালাইনও শেষ। ডাক্তারের পরামর্শমতে তেল মালিশ করা হলেও কাজের কাজ কিছুই হলো না। সরকারি হাসপাতাল বলে কথা! এখানকার ডাক্তাররাও তেমন একটা গুরুত্বের সাথে সেবা দিচ্ছে না। অগত্যা সর্বদিক বিবেচনা করে আম্মুকে প্রাইভেট ক্লিনিকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলো।’

এ পর্যন্ত বলে চুপ করলো আহমাদ। অনেকটা আনমনা হয়ে গেছে সে। তাকিয়ে আছে দূরের দিগন্তে। আমি দাঁড়িয়ে আছি চুপচাপ। তার মনের অবস্থা বোঝার চেষ্টা করছি।

এখানে আহমাদ ও তার পরিবারের সঙ্গে আমার রিলোশনটা তুলে ধরা সঙ্গত মনে করছি। এ মাদরাসায় আমার লেখাপড়ার বয়স চার বছর হলেও আহমাদ আমার দীর্ঘ নয় বছরের সহপাঠী। হ্যাঁ, আমি যখন প্রথম পড়াশোনার জন্য চট্টগ্রাম আসি তখন থেকেই তার সাথে পরিচয়। মাদরাসায় আমার সবচেয়ে প্রিয় উস্তাদ ছিলেন আহমাদের আব্বু। ওরা দু-ভাই, আহমাদ ও হামিদ। দু’জনই আমার সহপাঠী। সমবয়সী হওয়ার সুবাদে সখ্যতা হতে সময় লাগেনি। একসাথেই চলা-ফেরা ও ওঠাবসা হতো। সারাদিন দরস করা। আসরের পর বাইরে ঘুরতে যাওয়া। এশারের পর নাস্তা করা এককথায় একসাথেই থাকতাম সবসময়। সম্পর্কও ততদিনে সহপাঠীর অবস্থান ছাড়িয়ে আপন ভাইয়ের পর্যায়ে উন্নিত হয়েছে। তিনজন একসাথে দাপিয়ে বেড়িয়েছি পুরো মাদরাসা। পড়াশোনাতেও ভালো ছিলাম বলে কেউ কিছু বলতোনা। মাদরাসা সংলগ্নই ছিলো তাদের বাসা।ফলে আম্মাজানের আদর-স্নেহও পেয়েছি প্রচুর।মাঝে মাঝে রকমারি পিঠা ও নাস্তা বানিয়ে পাঠাতেন। কখনো বা করতেন ঝালমুড়ির আয়োজন। ফলমূল থেকে শুরু করে যখন যেটা পেতেন পাঠিয়ে দিতেন আমাদের জন্য। শুধু নিজ ছেলের জন্য না, সবার জন্য। আমরা সবাইই ছিলাম তাঁর ছেলে। আমাদের জন্য আপন মায়ের চেয়ে কোন অংশেই কম ছিলেন না তিনি। এককথায় পর্দার এপার থেকেও অনুভব করতাম তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসার স্নিগ্ধ পরশ।সিক্ত হতাম তাঁর পরম মাতৃস্নেহে। নিজ বাড়ি ও আপনজনদের অভাব অনুভূত হতো না কভু। মাদরাসাকে মনে হতো নিজের আরেক বাসস্থান। এটা শুধু আমার ক্ষেত্রেই না, সবার অবস্থাই ছিলো অভিন্ন।

সময়ের চাকা ঘুরতে থাকে অবিরত। দিন সপ্তাহ মাস পেরিয়ে শেষ হয় বছর। ঘুর্নয়মান সময়ের চাকায় পিষ্ট হতে থাকে জীবন। এভাবেই একসময় শেষ হয় প্রাথমিক জামাতগুলো। সময় আসে ছেড়ে যাবার। বেজে উঠে বিদায়ের ঘন্টা। কোথায় ভর্তি হবো তা নিয়ে চলতে থাকে আলোচনা-পর্যালোচনা। সবিশেষ হুজুরের সিদ্ধান্তে আমি ও আহমাদ ফেনীতে চলে আসি আার হামিদ চট্টগ্রামেই থেকে যায়।

আহমাদ নিজের আনমনা ভাব কাটিয়ে আবার বলতে শুরু করলো।

‘সেদিন বিকেলেই শহরের দামী প্রাইভেট ক্লিনিকে নেওয়া হলো আম্মুকে। ডাক্তারকে বিস্তারিত অবহিত করলে সে তখনই কিছু টেস্ট দেয়।

সন্ধ্যার পর সব টেস্টের রিপোর্ট তার টেবিলে। সামনে ব্যাগ্রচিত্তে বসে আছেন আব্বু। একমনে রিপোর্টগুলো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছেন ডাক্তার। প্রায় মিনিট ত্রিশেক পর রিপোর্ট থেকে চোখ সরিয়ে আব্বুর দিকে ফিরলেন। কিছুক্ষণ আব্বুর দিকে চেয়ে থেকে এরপর বলতে শুরু করলেন।

‘হুজুর! রুগির অবস্থা খুবই খারাপ। হাসপাতালের স্যালাইন পুশ করতে গিয়ে মিসটেক হয়ে গেছে ৷ ফলে স্যালাইন শরীরের শিরা-উপশিরায় না গিয়ে হাতের গোস্ত-মাংসে মিশে একাকার হয়ে গেছে৷ ইনফেকশন হয়ে গেছে হাতে। পচন ধরেছে মাংসে।’

একনাগাড়ে কথাগুলো বলে চুপ করলেন ডাক্তার। বোঝার চেষ্টা করছেন আব্বুর মনোভাব।

‘ইন্না-লিল্লাহ! এখন উপায় কী?’ কিছুটা বিচলিত হলেও ঘাবড়ে না গিয়ে জানতে চাইলেন আব্বু।

‘উপায় বলতে সামনে এখন দু’টি পথ খোলা। দুটোই খুবই ঝুকিপূর্ণ ও ভয়ংকর। প্রথমটি হচ্ছে আক্রান্ত হাতটি কেটে ফেলা। এক্ষেত্রে আজীবনের জন্য একটি হাত হারাতে হবে। আর দ্বিতীয় পথটিও প্রচুর কষ্টসাধ্য ও সময়সাপেক্ষ। আক্রান্ত হাত থেকে গোস্ত-মাংস সব কেটে ফেলতে হবে৷ শুধু হাড্ডি ও রগগুলো থাকবে। এরপর কয়েক মাস যাবত ড্রেসিং করতে হবে। যদি আল্লাহর রহমতে নতুনভাবে গোস্ত দিয়ে ক্ষতস্থান ভরে যায় তবে আলহামদুলিল্লাহ। অন্যথায় আবার অপারেশন করে অন্যস্থান থেকে গোস্ত কেটে ক্ষতস্থানে লাগাতে হবে। এ পথটি যথেষ্ট কষ্টসাধ্য, সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল হলেও শরীরের অবিচ্ছেদ্য একটি অঙ্গ নিরাপদ থাকছে—এটাই সান্তনা। এবার আপনিই সিদ্ধান্ত নিন, কোন পথ অবলম্বন করবেন?’

শুরু থেকেই ডাক্তারের কথা আব্বু মনোযোগ দিয়েই শুনছিলেন। তবে শেষদিকে এসে আনমনা হয়ে যান। ভাবনার অথৈ সাগরে ডুবে যান গভীরভাবে। উপস্থিত কী সিদ্ধান্ত নেবেন বুঝে পান না।

‘ডাক্তার সাহেব! আমাকে কিছুটা সময় দিন। আমি ভেবেচিন্তে জানাচ্ছি। ‘ এই বলে ডাক্তারের রুম থেকে বেরিয়ে আম্মুর কেবিনে ফিরে আসেন। আম্মু তখনো ঘুমে অচেতন। এখানে আসার পরপরই ঘুমের ইনজেকশন পুশ করেছিল ডাক্তার। তারই প্রতিক্রিয়া। কিছুক্ষণ কেবিনে বসে থাকেন। তারপর উঠে পাশের মসজিদে চলে যান। দুই রাকাত সালাতুল হাজত পড়ে প্রভুর দরবারে দোয়া কান্নাকাটি করে ফিরে আসেন। ভেবেচিন্তে ও নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করে দ্বিতীয় পথটিই গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন।

এর পরের অবস্থা তো জানাই আছে। দুই দিন পরপর ড্রেসিং চলছে। আমি একদিন আম্মুর কাছে ছিলাম ড্রেসিংয়ের সময়। হাতের দিকে একবারের বেশি তাকাতে পারিনি। কী ভয়ংকর অবস্থা। একটুও গোস্ত নেই, শুধু হাড্ডিখানা আছে। আর নির্দয়ভাবে ডাক্তার ড্রেসিং করছেন। কী কষ্টটাই না হচ্ছিল তখন আম্মুর। অন্য হাত দিয়ে শক্তভাবে ধরে রেখেছিল আমার হাত। আমিই নিজেকে ঠিক রাখতে পারছিলাম না। জানিনা আম্মু কিভাবে সহ্য করছেন এই কষ্ট। এরপর আর কখনো ড্রেসিংয়ের সময় আমি থাকার সাহস করিনি। আম্মুর অশ্রু ছলছল চোখজোড়ার দিকে চেয়ে থাকার মতো সামর্থ্য যে আমার নেই…! কোন হৃদয়বান সন্তানের জন্যই যে সম্ভব না। বিশেষভাবে আমি সে শক্তিটুকু অর্জন করতে পারিনি।’

কথা বলা বন্ধ করলো আহমাদ। ঝড়োবাতাস থেমে গেছে। সন্ধ্যা ঝুলে আছে মসজিদের মিনারে। খানিক পরেই মাগরিবের আজান হবে। অন্যরা নিচে নামতে শুরু করেছে। মসজিদের সামনের নারকেল গাছের পাতা চুইয়ে নেমে আসছে আঁধার। পাখিরা ঝাঁকে ঝাঁকে ফিরে আসছে নীড়ে। পেছনের আম গাছে কিচিরমিচির মিছিল শুরু হয়েছে।

পুনর্বার কিছু জিজ্ঞেস করার সাহস হলো না। জনমদুখিনী এক মায়ের দুঃখে ব্যথিত হতেই পারে সন্তানের হৃদয়। এই ব্যথিত হওয়াকে আমি সম্মান করি।

মিনারে বেজে উঠলো আজানের সুর। আজানের সুর কানে পড়তেই আমি আমাতে ফিরে এলাম। নানাবিধ ভাবনার অতলে তলিয়ে গিয়েছিলাম। দক্ষিণের সিঁড়ি বেয়ে চলে এলাম নিচে। তখনও মাথায় ঘুরছে হৃদয়স্পর্শী এ উপাখ্যান।

 

পুনশ্চ:

পরদিন ফোন করলাম হুজুরকে। জানতে চাইলাম ভালোমন্দ। অনুভব করলাম ও বুঝলাম যে,হুজুরের এসব কষ্ট নিয়ে কোন আক্ষেপ নেই। নেই কোন অভিযোগ-অনুযোগ। হুজুরের সবসময় বলা একটা কথা মনে পড়ে গেল। হুজুর বলেন ‘রেযা বিল কাযা, বহুত বড় মজা’। এই কথাটির বাস্তব প্রতিফলন আমি হুজুরের মাঝে দেখেছি। এমন আরও বেশকিছু গুন রয়েছে হুজুরের মাঝে। যেসব হুজুরকে অন্য দশজন থেকে আলাদা করে দেয় ৷

এই লেখাটি লেখার সাতদিন পর আম্মাজান পৃথিবীর সফর শেষ করে পরপারে পাড়ি জমান। যদিও এই ঘটনা আরও মাসকয়েক আগের। আল্লাহ পাক আম্মাজানকে মাগফিরাতে কামেলাহ নসিব করুন। আসীন করুন জান্নাতের সুউচ্চ আসনে। আমিন।

 

বেজপাড়া, সদর, নাটোর

studentmdamir@gmail.com

ট্যাগ :

সম্পাদক
তামীম রায়হান

নির্বাহী সম্পাদক
সালাহউদ্দীন জাহাঙ্গীর

প্রকাশনা ব্যবস্থাপক
আসাদুল্লাহ খান

নবধ্বনি/নবপ্রকাশ | দোকান নং-২৭ | ২য় তলা | ইসলামী টাওয়ার | ১/১১ বাংলাবাজার | ঢাকা
সার্কুলেশন: ০১৯৭৪৮৮৮৪৪১