একটা সোনালি অতীত; আলোর পরশের, আলোকিত মানুষদের। সে অতীত ইসলামের স্বর্ণযুগের; যার পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে মুসলিম নারীদের বীরত্বগাথা। যে অতীত গৌরবান্বিত মুসলিম বীরাঙ্গনার ঝলসে ওঠা তরবারির আঘাতে মুশরিকের ‘জাহান্নাম-যাত্রা’র কাহিনিগাথায়। সোনালি সে অতীতের জন্য তৃষাতুর হৃদয়ের বড় দরদ, বড় মায়া। কল্পনার পিঠে চড়ে মন ফিরে যায় হাজার বছরের দূরত্বের আলোকিত সেই দিনগুলোতে।
আলোর ঝিলিকে যেন কী ভীষণ এক মায়া! আবেশিত করে দেয়। সে আবেশে চোখ বুঁজে আসে। আধো ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে ফিরে যাই চৌদ্দশ বছর আগের দৃশ্যপটে। যেন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি খন্দকের যুদ্ধ। আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে কুরাইশ ও তাদের মিত্রদের সম্মিলিত বাহিনী নবিজির পবিত্র শহর মদিনা ঘিরে রেখেছে। এমন পরিস্থিতিতে সালমান ফারসি রাদিয়াল্লাহু আনহুর পরামর্শে অরক্ষিত দিকগুলোতে পরিখা খনন করা হলো। যেহেতু মুসলমানগণ জনশক্তিতে কম, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নির্দেশে পরিখার তীরে হাজির হলেন সকল সাহাবি।
শহরের সবচেয়ে সুরক্ষিত দুর্গে মুসলিম নারী ও শিশুদেরকে জড়ো করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের পুণ্যবতী সহধর্মিণীগণ এবং আত্মীয়াগণও রয়েছেন। জনবলের অভাবে দুর্গের পাহারায় পুরুষ নিয়োজিত করা সম্ভব হয়নি।
যুদ্ধ চলাকালে একদিন নবিজি যখন সাহাবায়ে কেরামকে সাথে নিয়ে যুদ্ধে রত ছিলেন, তখন বনু কুরায়জার একদল ইহুদি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে কৃত ওয়াদা ভেঙে বিশ্বাসঘাতকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়।
তখন ভোরের প্রথম প্রহর। চারদিকে আলো-আঁধারির মিশ্র পরিবেশ। বিশ্বাসঘাতক ইহুদিদল দুর্গের বাইরে কাতারবন্দি হয়ে একজনকে পাঠালো ভেতরের অবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্যে। সে ছোট্ট একটি সুড়ঙ্গ পেয়ে ভেতরে ঢুকে পড়লো।
আবছা আলোয় একটি অস্পষ্ট ছায়ামূর্তিকে দুর্গের দিকে এগিয়ে আসতে দেখলেন দুর্গে অবস্থানকারিণী একজন নারী। ধীরে ধীরে ছায়ামূর্তিটি স্পষ্ট হলো। আগন্তুক সন্দিগ্ধ দৃষ্টিতে এদিক-ওদিক তাকাচ্ছে। তীক্ষ্ম দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করতেই বিচক্ষণ নারী বুঝতে পারলেন, আগন্তুক একজন ইহুদি, গুপ্তচর বৃত্তি করতে এসেছে নিশ্চয়।
আতঙ্কিত হলেও পরক্ষণেই সামলে নিলেন নিজেকে। মনে মনে ভাবলেন—এখন বিপদ প্রতিহত করার মতো কোনো পুরুষ আমাদের সাথে নেই; এই অবস্থায় আমি যদি আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার করি এবং জানিয়ে দিই, বিপদ বেড়ে যাবে। দুর্গে অবস্থানরত বাকি নারী-শিশুরা ঘাবড়ে যাবে। তাদের চিৎকারে ইহুদিটা বুঝে ফেলবে যে, দুর্গে কোনো পুরুষ নেই। এমনটা হতে দেয়া যাবে না।
তিনি মুহূর্তের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিলেন, কী করতে হবে। দ্রুত ওড়না মাথায় পেঁচিয়ে নিজের একটা কাপড় কোমরে জড়ালেন। একটি লোহার দণ্ড হাতে নিয়ে অতি সন্তর্পণে দুর্গের ফটকে নেমে এসে বিচক্ষণতার সাথে নিঃশব্দে দুর্গের ফটক খুললেন। ধীর পদক্ষেপে ইহুদিটার গতিবিধি লক্ষ করে এগিয়ে গেলেন। একেবারে কাছে, একটু আড়ালে থেকে অপেক্ষা করতে লাগলেন মোক্ষম সুযোগের।
সুযোগ মিলতেই হাতের লৌহদণ্ড দিয়ে সজোরে আঘাত করলেন মাথার ঠিক মধ্যখানে। একবার। দুবার। তৃতীয় ও চূড়ান্ত আঘাত লাগলো ঠিক মস্তক বরাবর উপরে। মুহূর্তেই আল্লাহর দুশমন জাহান্নামের দুয়ারে পৌঁছে গেলো।
ঠিক তখনই আধো ঘুমটুকু ছুটে গেল আমার। চোখ মেলেই বুঝতে পারলাম—কল্পলোকের বিশালতায় ডুবে পৌঁছে গিয়েছিলাম ইতিহাসের সোনালি অধ্যায়ে।
পাঠক, কে এই বুদ্ধিমতী ও বিচক্ষণ নারী, জানেন? জানেন কে এই সাহসী বীরাঙ্গনা—নারীদের মধ্য থেকে যিনি ইসলামের ইতিহাসে সর্বপ্রথম মুশরিক হত্যা করলেন? জানেন, কে এই বিস্ময়কর বীরত্বের নায়িকা, যিনি পৃথিবীর নারীদের জন্যে বীরত্বের মহিমা রেখে গেলেন?
তিনি সাফিয়্যাহ বিনতে আবদুল মুত্তালিব। আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের সম্মানিত ফুপু।
★★★
সাফিয়্যাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা হলেন ঈমান আনয়নকারী নারীদের মধ্যে প্রথম সারির নারী সাহাবি। সৌভাগ্য তাঁর জীবনকে সবদিক থেকে সমৃদ্ধ করেছিল।
সাফিয়্যাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা হলেন সেই বিচক্ষণ মুসলিম নারী, যিনি মুসলমানদের জন্য সর্বপ্রথম এমন অশ্বারোহী প্রস্তুত করেছিলেন, যে অশ্বারোহী আল্লাহর রাস্তায় তরবারি কোষমুক্ত করেছিলেন।
তাঁর পিতা আবদুল মুত্তালিব ইবনে হাশিম। যিনি ছিলেন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সম্মানিত পিতামহ এবং কুরাইশ গোত্রের তত্ত্বাবধায়ক ও মান্যবর নেতা।
সায়্যিদুশ শুহাদা হামজা রাদিয়ল্লাহু আনহু তাঁর সহোদর ভাই, যিনি উহুদের যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করেছেন।
তাঁর স্বামী আওয়াম ইবনে খুওয়াইলিদ উম্মুল মুমিনিন খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহার ভাই।
পুত্র যুবাইর ইবনুল আওয়াম আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাওয়ারি বা বিশিষ্ট সহচর।
বংশগত এ গৌরব সমূহের সাথে ইসলামের গৌরবের সংযোজন তাঁকে দিয়েছে হাজার পুরুষের চেয়েও বেশি সম্মান, বেশি মর্যাদা।
★★★
গৌরবান্বিতা সাফিয়্যাহ নিজ পুত্র যুবাইর ইবনুল আওয়ামকে শৈশব হতেই এমনভাবে গড়ে তুলেছিলেন, যাতে বড় হয়ে এই শিশু দুঃসাহসী দৃঢ়সংকল্প এবং আত্মপ্রত্যয়ী মানুষ হন। পুত্রকে তিনি শিশুবয়সেই যুদ্ধ ও অশ্বারোহণ-বিদ্যার প্রশিক্ষণ দেন। খেলার ছলে শিখিয়ে দেন কীভাবে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে তির দ্বারা লক্ষ্যভেদ করতে হয়। পুত্রকে সামরিক বিদ্যা প্রশিক্ষণকালে তিনি প্রায়ই কঠিনভাবে প্রহার করতেন কঠোরতায় অভ্যস্ত করানোর জন্য।
একদিন যুবাইর ইবনুল আওয়াম রাদিয়াল্লাহু আনহুর চাচা নওফিল ইবনে খুওয়াইলদ ভীষণ ক্ষেপে যান। সাফিয়্যাহ রাদিয়ল্লাহু আনহাকে ভর্ৎসনা করে বলেন, ‘এভাবে প্রহার করে করে একদিন ছেলেটাকে মেরেই ফেলবে! তুমি নিশ্চয় বিদ্বেষের কারণেই এমন করছো। এ মোটেও মাতৃস্নেহের প্রহার নয়!’
প্রতিউত্তরে সাফিয়্যাহ বলেন, ‘যে বলে আমি তার প্রতি বিদ্বেষপরায়ণ, সে মিথ্যা বলে। আমি তাকে প্রহার করি, যেন সে বিচক্ষণ হয় এবং একাই শত্রুসেনাকে পরাজিত করে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ লাভে সক্ষম হয়।’
সাফিয়্যার এমন কঠোরতার প্রভাব পুত্রের জীবনে গভীরভাবে পড়েছিল। যুবাইর ইবনুল আওয়াম রাদিয়াল্লাহু আনহু অল্প বয়সেই হয়ে উঠেছিলেন শক্তিশালী পাহলোয়ান। দৃঢ়তা ও জীবন বাজি রেখে ইসলামের জন্যে লড়তে পারার দিক থেকেও কারো থেকে পিছিয়ে ছিলেন না।
সন্তানকে যথাযোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য সাফিয়্যাহ রাদিআয়াল্লহু আনহার পদক্ষেপ বিফলে যায়নি।
তিনি পেরেছেন নিজের বিচক্ষণতার প্রমাণ দিতে। তিনি সার্থক। সার্থক তাঁর প্রচেষ্টা।
★★★
ইসলামের প্রাথমিক পর্যায়ে অন্যান্য মুসলমানদের মতো সাফিয়্যাহ রাদিয়াল্লাহু আনহাও কাফির-মুশরিকদের অত্যাচারের কোপানলে পড়েন। তারপর যখন হিজরতের আদেশ আসে, আল্লাহ ও রাসুলের জন্য নিজের সর্বস্ব বিসর্জন দিয়ে রওনা হন মদিনাভিমুখে।
পেছনে পড়ে থাকে সাফিয়্যাহ’র জীবনের সুদীর্ঘ ষাটটি বছর। সমস্ত সুখস্মৃতি। জীবনের গৌরব আর শোক বিজড়িত অতীত। ইসলামের জন্য ত্যাগের এসব দৃষ্টান্ত কেবল সাফিয়্যারাই দেখাতে পারেন।
জীবনের ষাটটি বছর পেরিয়েও পিছপা হননি দীনের জন্য সবকিছু বিলিয়ে দিতে। ইসলামের প্রতি ভালোবাসার টানে বারবার ছুটে গিয়েছেন রণাঙ্গনে। তবে কি তিনি জানতেন না, নারীর সাম্রাজ্য হলো তার ‘গৃহকোণ’?
জানতেন। তিনি জানতেন নারী গৃহ-সম্রাজ্ঞী। এটাই চিরায়ত নিয়ম। কিন্তু মাঝে মাঝে এ নিয়মের ‘লঙ্ঘন’ বৈধ হয়, যখন তা হয় আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে। আর তাই যুদ্ধের ময়দানে তাঁর অবদান ও অবস্থান মুসলিম উম্মাহ যুগ যুগ ধরে স্মরণ করে আসছে পরম শ্রদ্ধাভরে।
ইতিহাসের পাতা আমাদের নিয়ে যায় উহুদ যুদ্ধের দৃশ্যে। যেখানে সাফিয়্যাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা যোদ্ধাদের জন্য পানি বহন করে আনছেন। তৃষ্ণার্তদের পানি পান করাচ্ছেন। সৈন্যদের তির-ধনুক মেরামত করে দিচ্ছেন নিজ হাতে। তীক্ষ্ম দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করছেন রণাঙ্গনের সার্বিক অবস্থা।
সাতজন মুহাজির আর সাতজন আনসার সাহাবি ব্যতীত অন্য সবাই যখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেন, সাফিয়্যাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা দেখলেন কয়েকজন মুশরিক নবিজির অতি নিকটে পৌঁছে গেছে এবং প্রায় হত্যা করতে উদ্যত হয়েছে। এ দৃশ্য দেখা মাত্রই তিনি নিজের পানপাত্রটি মাটিতে ছুঁড়ে ফেললেন। এক সৈন্যের হাত থেকে বর্শা ছিনিয়ে নিয়ে কাতার ভেদ করে সম্মুখে অগ্রসর হতে লাগলেন। বর্শার ফলা দিয়ে শত্রুপক্ষকে এমনভাবে আক্রমণ করতে লাগলেন, যেভাবে সিংহ-শাবককে আক্রমণ করতে দেখলে মা-সিংহ ঝাঁপিয়ে পড়ে।
যুদ্ধ সমাপ্ত হলো। সাফিয়্যাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা তাঁর ভাই হামজা রাদিআল্লাহু আনহুর দেহ দেখতে পেলেন, যাঁকে মুশরিকরা নির্মমভাবে শহিদ করেছে। কাছে এসে তিনি থমকে দাঁড়ালেন। ভাইয়ের উদর বিদীর্ণ করা হয়েছে। কলিজা বের করে আনা হয়েছে। কান, নাক কেটে নেয়া হয়েছে। উফ…! কী বীভৎসতা…!
কিন্তু সাফিয়্যাহ? কোনো মাতম করলেন না, শোর-চিৎকার করলেন না। নিভৃত মনে বলতে লাগলেন, ‘নিশ্চয়ই এ মৃত্যু আল্লাহর পথে হয়েছে। আমি আল্লাহর সিদ্ধান্তের ওপর সন্তুষ্ট। কসম আল্লাহর! আমি অবশ্যই ধৈর্য্যধারণ করবো। সওয়াবের আশা করবো। ইনশাআল্লাহ।’
এমন অবিচল দৃঢ়তায়, বীরত্বপূর্ণ সহনশীলতায় বুক বাঁধতে পারে ক’জন? সাফিয়্যাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা পেরেছেন। নারী জাতির জন্যে রেখে গেছেন সবর ও শোকরের নাজরানা। প্রচণ্ড শোকের মুখেও সংযমের পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেছেন তিনি।
★★★
একজন বীরাঙ্গনার জীবনের গল্প আমাদের জন্য কেবল গল্প নয়; বরং আদর্শ আর শিক্ষার উৎস। ত্যাগ ও উৎসর্গের নমুনা। এ গল্প আমাদের সোনালি অতীতের। যে অতীতে আমাদের গর্বিত নারী জাতি অন্যায়-অনাচারের সাথে আপোষ করেননি কখনোই। শত নির্যাতন ভোগ করেও নতি স্বীকার করেননি। বরং জীবন বিলানোর ডাকে শোনা গেছে তাঁদের আনন্দ বিগলিত কণ্ঠ।
ইতিহাস থেকে চোখ তুলে, যখন বাস্তব জীবনের দিকে চোখ মেলে তাকাই তখন ভাবি—কোথায় আজ আমাদের নারীদের গৌরব? কোথায় সেই চিরগর্ব? আজ তো মুসলিম উম্মাহর নারীদের অতি নগণ্য এক অংশ ব্যতীত সবাইই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে দীনের জন্য জীবন উৎসর্গ করার মানসিকতা থেকে। বিস্মৃত হয়েছে সোনালি যুগের মহিয়সী নারীদের ইতিহাস। দুনিয়ার মিথ্যে মোহে হারাচ্ছে আখেরাতের অফুরান সুখ-প্রাসাদ।
কেন নারীরা আজ আর বীরাঙ্গনা হতে চায় না? কেন তাঁরা ভুলে গেছে ইতিহাসের আলোকিত নারীদের কথা? কেন তারা সাফিয়্যাহকে চেনে না? নিজেদের গর্বকে বুকে লালন করে না কেন? শয়তানের দোসরদের প্ররোচনায় আজ নারী জাতি পিছিয়ে গেছে দীনের পথ থেকে, আলোর পথ থেকে। দূরে সরে এসেছে ত্যাগের পথ থেকে, রবের সন্তুষ্টির পথ থেকে।
আজকের নারীরা জানুক, মহিয়সী নারী সাফিয়্যাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা সন্তুষ্ট করেছেন আপন রবকে। সন্তুষ্ট করেছেন রবের প্রেরিত রাসুলকে। বিনিময়ে দুনিয়াতে পেয়েছেন মুসলিম নারীদের অনন্য আদর্শ হওয়ার গৌরব। আর আখেরাতের প্রতিদান তো…।
তারা জানুক সাফিয়্যাহর বীরত্বের ইতিহাস। নিজেদেরকে গড়ে তুলুক মহীয়সী বীরাঙ্গনার আদলে।
বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী
ঈদসংখ্যা, মে ২০১৯

