ট্রাভেলগ : এ জার্নি টু কাতার

সংখ্যা:

 

এক

ঘড়িতে সময় দেখাচ্ছে রাত ৩:১৪। অথচ এখানে এখন বাজে ১২:১৪। আসার পর বারবার লোকেশন আপডেট দেওয়ার পরও সময়টা পরিবর্তন হচ্ছে না। থাক, প্রতিবার সময় দেখে যদি তিনঘণ্টা বিয়োগ করতেই না পারি, তাহলে কীসের ম্যাথে পড়ি আমি?

ঢাকা থেকে ফ্লাইট ছিল সকাল ৮:২৫-এ। এখানে পৌঁছেছি কাতার সময় ১১:৪০-এ, সেখান থেকে ভাইয়ার বাসায় আসতে আসতে বেলা প্রায় একটা। ‘ভাইয়ার রুম’ বলে অভ্যস্ত আমি। ‘ভাইয়ার বাসা’ টার্মটা এই প্রথম ব্যবহার করছি, এখানে এটা আসলেও ভাইয়ার বাসাই, সময় কী দ্রুত দৌড়াচ্ছে!

জার্নিটা ভালো ছিল, ফুড বাদে, খাওন-দাওনে টেস্ট পাইনি আমি। পারস্য উপসাগরের সবুজ পানি, মাছ ধরার সারি সারি নৌকা দেখতে দেখতে আর ভাইয়া-বাবার গল্প শুনতে শুনতে এয়ারপোর্ট থেকে আসার পথে অল্পস্বল্প শহর দেখা হলো। ট্যুরের পেছনের কারিগর ভাইয়া।

ফ্রেশ হয়ে খেতে বসলাম। দেখি, ভাইয়া-ভাবী আমার পছন্দের অ্যাপল জুস এনে রেখেছে। কোন ব্র‍্যান্ডের জুসটা পছন্দ করতাম, সেটা আমার মনে না থাকলেও ভাইয়ার মনে আছে! অজান্তেই প্রকাশ পেয়ে যাওয়া এইসব স্নেহে আমি আর্দ্র হই বারবার, বারবার…। তবে সেই ব্র‍্যান্ডের জুস কেনা যায়নি, কারণ অবরোধের জন্য সৌদি থেকে ওটা আর আসে না কাতারে।

এরপর আরও কিছুক্ষণ সময় গেল, বেরুলাম সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটায়। হু, সন্ধ্যা-ই, পৌনে পাঁচটায় মাগরিবের আজান দিল।

ছন্নছাড়া এলোমেলো হাঁটার অভ্যাস আমার বেশ প্রিয়, বাংলাদেশে থাকলে সেটা রাতের বেলা সম্ভব হয় না। এখানে বেরুলামই সন্ধ্যায়। বাসা থেকে বের হয়ে ডানদিক থেকে শুরু করলাম, ঐ একবারই আমার দিক নির্দিষ্ট করা; তারপর কোথায় হাঁটি, কোথায় যাই—কিছু জানি না।

আসার আগে নিকাব পরার স্টাইল চেঞ্জ করে এসেছি, এই নিকাবে আরামসে খাওয়া যায়, আইসক্রিম খাই আর হেঁটে বেড়াই।

রাস্তার দুইধারের বিল্ডিংয়ের ডিজাইন খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখা আমার পুরনো অভ্যেস, এখানেও রইলো সে। অধিকাংশ বাড়ির আর্কিটেকচার খুব সুন্দর, ফোর্টের মতো।

লাক্সারি ব্যাপারটা আজীবন আমার কাছে মজা নেওয়ার ব্যাপার, আর যা-ই হোক, লাক্সারি আমার সহ্য হয় না, এ আমাকে টানে না, আনন্দও দেয় না, শুধু ফান করার কিছু টপিক উপহার দেয়। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী এই দেশের রাজধানীর রাস্তায় রাস্তায় লাক্সারি। আমি দেখি আর মজা নিই।

রাস্তার পাশের দোকানে সাজিয়ে রাখা জামার দাম ছয় হাজার রিয়াল। এর চেয়ে আকাশ দেখতে দেখতে হাঁটা আনন্দের, মনে হলো এই প্রথম যেন চিকন চাঁদ দেখলাম। আচ্ছা, চিকন চাঁদকে কীসের সঙ্গে যেন তুলনা করে? মনে পড়ছে না… কাস্তে?

মাঝে মাঝে তারা দেখা যাচ্ছে, খালি রাস্তার ফুটপাতে সোডিয়াম বাতির আলোর মতো আলোয় হাঁটতে হাঁটতে আমি বিষণ্ন হয়ে যাই, কোনো কারণ ছাড়াই। একে বলে অভিজাত বিষণ্নতা, এই লাক্সারিতে আমার কোনো আপত্তি নেই।

আমার বারবার সৌদি আরবের দিনগুলোর কথা মনে পড়ে যায়। সেই ছোট্টবেলার বিড়ালকাহিনি এখনো ভুলে যাইনি। সৌদির প্রতিবেশী এই আরবের বিড়ালগুলো দেখে আমি এদিক-সেদিক পালাই। এরা দেখতে আমাদের দেশি বিড়ালের মতো না একদম। ওখানেই সহ্য হয় না, আর ইনারা তো আরবের বিড়াল।

দু’টো মার্কেটের এ-মাথা ও-মাথা ঘুরে ফেললাম। লাক্সারি দেখি আর মজা পাই। উইন্ডো শপিং জিনিসটা আমার ধাতে নেই, কাজের জিনিস কিনতেই অন্যদের ঠেলি। তা-ও ভেবেছিলাম, যদি শপিং মলে গেলে অকারণ কেনাকাটা শুরু করি, সেটা নিজের কাছেই বিরক্তিকর হবে! নিজের মধ্যে দুইটা ক্যারেক্টার ঝগড়া শুরু করে দেবে। এর প্রতিকার দেশ থেকেই করে এসেছি। হ্যান্ডব্যাগে একটামাত্র বই ঢুকিয়েছি, বইয়ের নাম, ‘রাসুলের চোখে দুনিয়া’।

একটা সিটি এক্সপ্লোর করতে পায়ের জোর লাগে খুব, আমার পায়ে আজ খুব জোর নেই। তা-ও হেঁটেছি, প্ল্যান ছিল ১২টা পর্যন্ত ঘুরব। মক্কার কথা মনে পড়ে, একা একা ঘুরে রাত দুইটায় হোটেলে ফিরেছিলাম, তখন আমি আরও ছোট, ২০১৪-এ। কী নিরাপদ এই শহরগুলো!

আজ পারছি না, পা ব্যথা করছে ভীষণ। আড়াই ঘণ্টায় এনার্জিতে লালবাতি জ্বলে গেল। আগের রাতে দেশে ঘুমিয়েছি তিনটারও পরে, সাড়ে চারটায় ঘুম ভেঙে গেছে। প্লেনে পাখার ওপর সিটে শো শো শব্দে ঘুমাইনি বেশিক্ষণ, দেড়-দুই ঘণ্টা। ভাইয়ার বাসায় এসেও ঘুমাইনি, আড়াই ঘণ্টা হেঁটে এসেছি, রাত ১২টা ক্রস করেছে, আমার ক্ষুধা লাগে না, ঘুমও আসছে না। ক্ষুধা না লাগলেও খাওয়া যায়, কিন্তু ঘুম না এলে কীভাবে ঘুমানো যায়, সেই পন্থা আমার জানা নেই।

 

দুই

বেলা ১১টার দিকে আজকে বৃষ্টি নামল। এখানে সচরাচর বৃষ্টি হয় না, আজ হলো। অনেক বাতাস, তার সঙ্গে ঝুম। বৃষ্টি আমার ভীষণ পছন্দ, তবুও এই বৃষ্টিতে কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হলো! যেটা বাংলাদেশের বৃষ্টিতে আছে। এই বৃষ্টি মোটেও দেশের বৃষ্টির মতো মনকাড়া না। মনকাড়া শব্দটা ঠিক মানাচ্ছে না, আবার রোমান্টিক শব্দটাও ব্যবহার করতে পারছি না, রোমান্টিকের বাংলাটা দরকার, অভিধান দেখালো, ‘ভাবোদ্রেককারী’। থাক, ‘মনকাড়া’ই ভালো।

লাবান খাওয়া হলো আজ। দেশেরগুলো অনেক মিষ্টি আর তেমন ঘনও না। আরবেরগুলো মিস করতাম খুব। আমার পছন্দ।

বিকেলে বের হলাম। একটু দূরে যাওয়া হলো। একটা ছোটোখাটো পার্কমতন জায়গায় নামলাম। ওখানে কিছুক্ষণ ঘুরলাম, বেড়ালাম, দোলনায় দুললাম। বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে আছে, বৃষ্টির, ঘাসগুলো ভেজা। একটা বিড়ালের ছবি তুলতে গেলাম, কিটকিট করে তাকিয়ে আছে আমার দিকে।

এরপর রাস্তার অন্য পারে কর্নিশে যাওয়ার পালা। সমুদ্রের পাশে একটু ঘোরাফেরার জায়গা, ওখানটার নামই কর্নিশ। রাস্তা পার হব বলে আন্ডারগ্রাউন্ডে নামছিলাম, নামছি তো নামছিই। মাটির নীচে তিনতলা পর্যন্ত নেমে একটা দরজা পাওয়া গেল। খুলে ঢুকতেই বিশাল কার পার্কিং লট এবং সেখানে কোনো গাড়ি দেখলাম না। মাইনাস তিনতলা, গমগম শব্দ হচ্ছে, বের হওয়ার রাস্তা আর খুঁজে পাই না। কোনো মানুষও নেই যে জিজ্ঞেস করব।

বিন্দাস লাগছিল কেমন যেন, অ্যারো সাইনগুলো ধরে এগুনো শুরু করলাম। লিফট দেখে এগোলাম, লেখা, ‘আউট অফ সার্ভিস’। এবারে একটু ভয় ভয় লাগছে। আরও কিছুক্ষণ ঘোরার পর একজন লেবার আরবি-ইংলিশ মিলিয়ে রাস্তা দেখালেন, সেই মতো হেঁটেও খুঁজে পাই না, ঘুরতেই থাকলাম, তার আরও কিছুক্ষণ পর আরেক জনের ডিরেকশন অনুযায়ী রাস্তায় উঠে দেখি, যে পাশ থেকে নেমেছিলাম, সেই পাশেই উঠে এসেছি। বাহ!

এখন এখানের ওয়েদারটা বেশ আরামদায়ক, অল্প ঠাণ্ডা, অথচ ওখান থেকে বের হয়ে আবিষ্কার করলাম আমি ঘেমে গেছি।

এরপর রাস্তা পেরুতে গিয়ে মনে হলো এখনই মাগরিবের আজান দেবে, চলে গেলাম ফানারে। কাতার ইসলামিক কালচারাল সেন্টারকে ফানার বলে। ফানারের বিল্ডিংটা অনেক দূর থেকে দেখা যায়, ডিজাইনটা বেশ ইউনিক। অনেক কিছু আছে এখানে, লাইব্রেরি, মসজিদ, বিদেশিদের জন্য অ্যারাবিক স্পিকিং কোর্স, রিলিজিয়াস পাবলিকেশন্স। আজান দিচ্ছে আর আমি ইতিউতি তাকিয়ে মেয়েদের মসজিদ খুঁজছি দেখে সিকিউরিটি গার্ড ডেকে নিয়ে গেল ভেতরে। নামাজ শেষে বের হয়ে আসার সময় যতটুকু দেখা যায় দেখলাম।ভেতরে সুন্দর সুন্দর কাঠের বক্সে ফ্রি বুকস লেখা, বেশ কিছু ল্যাংগুয়েজের আছে, এর মধ্যে বাংলাও দেখলাম। ছবি তুলে এনেছি। গ্রাউন্ড ফ্লোরের দেয়ালগুলোয় অনেক কিছু লেখা, মাঝখানে কাঁচের বাক্সে কিছু মডেল রাখা, একটা বাক্সে ক্যালিগ্রাফি করার জিনিসপত্র সাজানো; সেগুলোর ছবিও তোলা হলো। ও হ্যাঁ, মসজিদে ছোটো বাচ্চার অ্যাঁ অ্যাঁ হি হি শুনে ভালো লাগল, তুরস্কের মসজিদের লেখাটার কথা মনে করে।

এরপর গেলাম কর্নিশে, হাঁটলাম অনেকক্ষণ, আমার পায়ে শক্তি নাই, তা-ও ২ ঘণ্টা কেটে গেল। ঝিনুকের আদলে বানানো ফোয়ারাটা সুন্দর লাগল আমার, ঠিকঠাকমতো ছবি তুলতে পারলাম না, মানুষজন নানানরকম পোজে ছবি তুলছে নিজেদের। এখানটায় অনেকেই বেড়াতে আসে, বসে থাকে, আমিও থাকলাম। বসে থাকলে একটা শব্দ একটু পর পর শোনা যায়, ইমোর রিংটোন।

আকাশে অনেক মেঘ জমে আছে, দেখতে ভালো লাগছে, মাঝে মাঝে তারাদের দেখা যায়, একটা চিকন চাঁদ তো আছেই। আমি হাঁটি আর কী যেন একটা মিস করি, কী মিস করি, তা জানি না, কেন মিস করি, তারও কোনো লজিক খুঁজে পাই না।

 

তিন

আজকে খুব বেশি কিছু লেখার নেই। প্রতিদিনই অনেক লিখতে হবে এমন কোনো কথাও হয়তো নেই।

খুব বেশি ঘোরাঘুরি হয়নি আজ। সন্ধ্যায় বের হয়ে জারির বুকস্টোরে গেলাম। দু’টো ভাউচার ছিল ওখানকার। স্টোরটা দুইতলা। বাংলাদেশের চর্চা, বাতিঘর, বেঙ্গল বইয়ের সঙ্গে পার্থক্য হলো, ওসব জায়গায় শুধু বই-ই পাওয়া যায়। আর জারিরের নামের সঙ্গেই লেখা আছে, নট জাস্ট অ্যা বুকস্টোর। নিচতলা পুরোটা জুড়ে ইলেকট্রনিকস, ফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ, নোটবুক, প্রিন্টার, হাবিজাবি, ব্যাগ, ব্যাকপ্যাক, ক্যালিগ্রাফি টুলস, ড্রয়িং টুলস, সিউইং টুলস, ক্রাফটিং টুলস, কী নাই! কিছু বইও ছিল, স্টেশনারি আইটেমও।

এই জিনিসগুলো যাঁর লাগবে, সে খুব সহজেই, অল্প সময়ে কিনে ফেলতে পারে এখান থেকে। অথচ নীলক্ষেতে এইসব কিনতে গেলে কী ঘুরা ঘুরতে হবে আল্লাহ মালুম!

এরপর দোতলায়, দুই ভাগে ভাগ করা, এক পাশে সব আরবি, আরেকপাশে সব ইংলিশ।  আর মাঝখানে অন্যান্য জিনিসপত্র, খাতা, পেন্সিল, কলম, রঙ, ব্যাগ, স্টিকার, বাচ্চাদের জিনিসপত্র ইত্যাদি। এগুলো চোখের দেখা দেখে আমি ঢুকে গেলাম বইয়ের রাজ্যে। আহা, বই আর বই আর বই! ক্যাটাগরি করে করে রাখা। সব বই-ই অরিজিনাল কপি, একেকটার দামও একদম অরিজিনাল!

ফিকশন, নন-ফিকশন, ক্ল্যাসিক, অ্যাকাডেমিক, লার্নিং ফরেইন ল্যাংগুয়েজ, পাজলস, সুডোকো, ফটোগ্রাফি, কুকিং, বেস্ট সেলার, সেল্ফ ডেভেলপমেন্ট—সব আছে। থরে থরে সাজানো বই, পরিপাটি।

হাঁটতে হাঁটতে একদম শেষ মাথায় গিয়ে দেখি ইসলামিক বুকস সেকশন, সেলফগুলোর সামনে বসার টেবিল-চেয়ার রাখা, ঠিকমতো দেখাও যাচ্ছে না বইগুলো, একপাশের সেল্ফ খালি, এলোমেলো পলিথিন পড়ে আছে, বইগুলোও ঠিকঠাক নেই, নিচের তাকগুলোয় অযত্নে পড়ে আছে এবং সেই বইগুলোর দাম অন্যসব বইয়ের চেয়ে কম। তার থেকে আরও দূরে কোনো ক্যাটাগরি লেখা ছাড়াই সারি সারি বই মাটিতে রাখা, একটার উপর আরেকটা, সব ইসলামিক বই। কুরআন রাখা সেলফটা একটু গোছানো, তা-ও একদম শেষে। পুরো ব্যাপারটা এতোটাই অযত্নে, অবহেলায় অগোছালো হয়ে আছে যে আমি সেটুকু গুছিয়ে লিখতে পারছি না।

খুঁজে দেখলাম, আর কোনোকিছুই এরকমভাবে পড়ে নেই। কিছু বই নিলাম, ভাউচারের দাম ক্রস করলো। কী বই কিনেছি তা বলবো না, বইয়ের নাম বলার ক্ষেত্রে আমি খুবই কৃপণ।

তারপর আর কী! চলে আসলাম বাসায়। নাহ, আজকেরটাকে পুরোপুরি ট্রাভেলগ বলা যায় না হয়তো, জারিরের রিভিউ বলা যায়। ও হ্যাঁ, বিকেলে একটা সুন্দর ব্যাপার চোখে পড়ল। জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম। একজন মহিলা ড্রাইভ করছিলেন, কিন্তু সম্ভবত তিনি গাড়ি পেছনের দিকে নিয়ে কীভাবে পার্ক করতে হয় তা জানেন না অথবা এই বিষয়ে অদক্ষ। রাস্তার মাঝখানে তিনি দরজা খুলে নেমে গেলেন আর অন্যপাশ থেকে একজন লোক, হয়তো তাঁর স্বামী, বের হয়ে ড্রাইভিং সিটে বসলেন আর গাড়ি পার্ক করলেন। এটুকু সময়ের মধ্যে রাস্তায় বেশ কিছু গাড়ি জমে গেল। কিন্তু কেউই চিৎকার করল না, ‘ঐ মিয়া, রাস্তার মাঝখানে গাড়ি থামাইসেন কেন? এ্যাহ, মাইয়া মানুষ হয়ে গাড়ি চালাইতে আইছে, জানে না কিছু!’ উলটো আরও পার্ক করার সময় জায়গা করে দিল। এখানকার ট্রাফিক সিস্টেম সবসময়ই ভালো লেগেছে আমার।

আমার শিওর হয়ে বলতে ইচ্ছে করছে, এই লোক কখনোই তাঁর স্ত্রীকে একথা বলবে না, ‘এ্যাঁহ, গাড়িটাও তো পার্ক করতে পার না ঠিকমতো’, বরং হাতে ধরে তাঁকে শিখিয়ে দেবে, যেমন করে সে প্রয়োজনে রান্নাটা অথবা বাচ্চা সামলানোটা স্ত্রীর কাছ থেকে শিখে নেয়।

এ রকম বাংলাদেশেও হোক, জগতের সমস্ত পুরুষ এইভাবে অর্ধাঙ্গিনী হিসেবে স্ত্রীদের ট্রিট করুক।

 

(আগামী সংখ্যায় সমাপ্য)

জানুয়ারি 2019

ট্যাগ :

সম্পাদক
তামীম রায়হান

নির্বাহী সম্পাদক
সালাহউদ্দীন জাহাঙ্গীর

প্রকাশনা ব্যবস্থাপক
আসাদুল্লাহ খান

নবধ্বনি/নবপ্রকাশ | দোকান নং-২৭ | ২য় তলা | ইসলামী টাওয়ার | ১/১১ বাংলাবাজার | ঢাকা
সার্কুলেশন: ০১৯৭৪৮৮৮৪৪১