নিশীথ। আলোহীন তিথি। ঘন আঁধার। সমাচ্ছন্ন মন। বিজন প্রান্তর। নির্জন উপত্যকা। প্রহেলিকা অরণ্য পথ। আলেয়াপিঞ্জিরাবদ্ধ সফর। নিরন্ন, ম্রিয়মান, ক্লান্ত মুসাফির। সে তো আমিই! এ আমার আখ্যান।
হঠাৎ নিশির আস্তরণ ছেদ করে দীপ্তিপ্রখর সূর্যোদয়। মূর্খতার কদার্যে ডুবন্ত বদনে স্নিগ্ধ হাওয়ার বিমুগ্ধ পরশ। স্নেহের হস্ত ছোঁয়া। এ পরম একাদশে বৃহস্পতি। শরতের শিশির। অনায়েশলব্ধ সম্পদ। তিনি আমাকে আঁস্তাকুড় থেকে এনে দাঁড় করিয়েছেন সফলতার রাজ পথে। প্রীতি মাখা এক বছরের তত্ত্বাবধান। হজরতের সৃজনশীল সরফের ধারা সত্যিই! আমার সফরের মোড় সরফ করে দিয়েছে। এ আমার পরম প্রাপ্তি, যার কোনো বিস্মৃতি নেই।
কিন্তু যুগের ক্ষিপ্ত লো হাওয়া আমার প্রস্থানের এনেছে ত্বরা। আর ছিনিয়ে প্রকাশ করেছে আনুবিধিৎসাপূর্ণ আচরণ। তবে, স্মৃতি বিজড়িত মননে আজো অনুরিত গুঞ্জন প্রিয় উস্তাদের {মুফতী ইন’আমুল হাসান দা:বা:} অমূল্য বাণীকথন। অপরূপ সজ্জায় সজ্জিত স্মৃতির ক্যাভাস। আরাধনা মগ্নে চিত্ত ভরে ইন’আমের প্রার্থনা স্রষ্টার সমীপে। বিমল ছন্দের কোমল পরশে প্রণয় -প্রীতি সঞ্চিত। যার স্মারণি স্মরণাবদ্ধ। হৃদয়ের খোলা বাতায়নে অব্যক্ত নির্মল কথনের বর্ণাঢ্য র্যালী। সুপ্ত আবেগের প্রবল আত্মপ্রকাশ।

