কৃষ্ণচূড়া গাছটির পাশ দিয়ে যখন হেঁটে যাচ্ছিলাম, কোনো এক ওয়াজ-মাহফিলের বিজ্ঞাপনী একটা ছেঁড়া কাগজ চোখে পড়ল। আমার একটি অভ্যাস হলো, চলতি পথে বিসমিল্লাহ লেখা কোনো কাগজ চোখে পড়লে তুলে নিই; ধুলো ঝেরে পকেটে রাখি ও পরে সব একসাথে পুড়িয়ে দিই। এটা আমার ধর্মবোধ ও বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ; আমার ঈশ্বরের নামটি রাস্তার ধুলোবালিতে পড়ে থাকতে দেখতে পারি না।
কাগজের টুকরোটি তুলে যখন ঝারছি, তখন বিজ্ঞাপনের অপর সাদা পৃষ্ঠাটিতে এলোমেলো অপরিচ্ছন্ন হস্তাক্ষরে একটি লেখা চোখে পড়ল- ‘তোমার জানাশোনা প্রতিটি মানুষের ভেতরেই এমন আরেকটি মানুষ আছে, যার ব্যাপারে তুমি কিছুই জানো না।’ দেখেই বুঝা যায় কচি দুটো হাতের লেখা, কলমের কয়েকটি রেখা, কিন্তু অমূল্য একটি কথা।
সময়ের হিসেব করলে আমাদের সবচে জানাশোনা মানুষ মা-বাবা। সেই হিসেবে মা-বাবই সবচে অজানা হবার কথা। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মা এবং বাবার মাঝে বিস্তর ফারাক আছে-সন্তানের ভালোবাসা ও জানাশোনার দিক থেকে। বাঙালি সন্তানেরা মাকে যতোটা জানে, বাবাকে ততোটা জানে না। যতোটুকুন জানে, তার বিপরীতে আবার সেই বাবার ভেতরে এমন একটি বাবা রয়েছে; যার বিন্দুবিসর্গও সন্তানরা জানে না। বাঙালি পিতা যেন সন্তানের কাছে এক অজানা মহাসমুদ্র।
পিতা আর জনকের ভেতর তফাৎ আছে। পিতা মানে প্রতিপালক; সন্তানকে যে লালন করে। জনক মানে জন্মদাতা। এদিক থেকে বাবা শব্দটা ব্যাপক; কিংবা আব্বু বা আব্বা; অথবা গ্রামীণ সম্বোধনের বাজান। আমাদের বাংলাদেশে সাধারণত পিতা আর জনক একজনই হন, কিন্তু বহির্বিশ্বে ব্যাপারটা ভিন্ন। ওখানে অসংখ্য সন্তান এমন আছে, যাদের জনকের খোঁজ নেই, কিন্তু বিত্তবান পিতা আছে। আমরা সার্বজনীনভাবে পিতাকে নিয়েই কথা বলব।
সন্তান পিতার প্রতিচ্ছবি। পিতা একটি কায়া, সন্তান তার ছায়া। একই সুতোর বাঁধনে দুইটি আত্মার যেন একটি সত্তা। কিন্তু বিশ্বজুড়ে পিতা আর সন্তানের মাঝে যেই দূরত্ব, পারস্পরিক বোঝাপড়ার অভাবে উভয়ের যে দ্বৈরথ, তা এখন নিত্য বিষয়। পিতা-পুত্রের দ্বৈরথ কি স্বাভাবিক? না। কিন্তু এই দ্বন্দ্বটা জন্ম থেকে পুত্র নিয়ে আসে না। পুত্রের জন্ম, বেড়ে ওঠা, শিক্ষা, জগত-পরিচিতি-সবকিছুতেই পিতার ভূমিকা বেশ বড়সড়। সন্তান পিতাকে কম জানুক, বেশি জানুক বা একদমই না জানুক, একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তাদের মাঝে মিষ্টি-দুষ্ট সুসম্পর্ক থাকে। তবে মানসিক-সামাজিক নানা কারণে শৈশবেই পিতার সঙ্গে দূরত্ব ও দ্বৈরথ সৃষ্টি হওয়ার ঘটনাও আছে, তা ব্যতিক্রম।
পিতার সঙ্গে পুত্রের দ্বৈরথটা কখন শুরু হয়? যখন পুত্রের চিন্তা ডালপালা মেলতে শুরু করে, যখন পুত্রটি তার স্বপ্নের ব্যাখ্যা খুঁজতে শুরু করে; আপন সাধ ও ক্যারিয়ারের প্রশ্ন যখন আসে। পুত্রের মুখ থেকে ডানাহীন পাখিরা যখন ক্ষুধায় বিকট চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে- পুত্রটি যখন বড় হয়ে যায়।
মানিক বন্দোপাধ্যায়ের একটি কথা কোট করি : ‘ছেলে বড় হইলে কি কঠিন হইয়া দাঁড়ায় তার সঙ্গে মেশা। সে বন্ধু নয়, খাতক নয়, উপরওয়ালা নয়, কি যে সম্পর্ক দাঁড়ায় বয়স্ক ছেলের সঙ্গে মানুষের [পিতার], ভগবান জানেন।’
পিতা-পুত্রের এই যে দ্বৈরথ, এর শুরুটা কিন্তু অনেক প্রাচীন। মানবজাতির আদি পিতা আদম ও তার পুত্র কাবিলের গল্পটা স্মরণ করতে পারি। কাবিলের স্বপ্ন ছিল তার সহজন্মিনী বোনকে বিয়ে করবে। যেহেতু এটা অবৈধ, পিতা বাধ সাধলেন; স্বপ্নপূরণে আঘাত এল; পয়গম্বরপুত্র কাবিল পিতার বিরুদ্ধে পৃথিবীর প্রথম বিদ্রোহটি করলেন। পিতা-পুত্রের মনোদৈহিক এইসব সমরের নানা আখ্যান গ্রিক ইহুদি-ক্রিশ্চিয়ান এমনকি ইসলামি পুরাণেও প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। আর সা¤্রাজ্যবাদের ইতিহাসে রাজা ও রাজপুত্রের সমরকাহিনি তো ডালভাত ঘটনা। নিকট অতীতের মোঘল সা¤্রাজ্যেই রয়েছে এর দৃষ্টান্ত। পিতা-পুত্রের দ্বৈরথ, প্যাট্রিসাইড নিয়ে নানা রূপকথা উপকথা আছে, সেসব উল্লেখ করছি না।
পৃথিবীর প্রাচীন উপাখ্যানগুলোতে দেখা যায় বিচিত্র ঈশ্বরের ঠিক পরই পিতার স্থান ছিল। পিতা ছিল দ্বিতীয় প্রভু; অনেক গোত্রে বড়পিতাই ছিলো গোত্রপতি ও একমাত্র প্রভু। তারা নিজেদের প্রভু মনে করত, সর্বক্ষমতাবানের আচরণ করত। অসংখ্য স্ত্রী, রক্ষিতাদের গর্ভে তাদের অগণন সন্তান ছিল। সাইকোলজিক্যাল ম্যানিফেসটেশন বলে : পিতা নিজেকে প্রভুর অনুরূপ ভাবতে পছন্দ করলেও কোনো পুত্র কিংবা কন্যাই, আপন পিতাকে প্রভুরূপে দেখতে পছন্দ করে না। যেখানে পিতার কোনো স্নেহ নেই, মমতা নেই, ছেলের হাত ধরে হাঁটবার ক্ষমতা নেই; আছে ঈশ্বরের রূঢ়তা আর বীর্যের বিক্রম। একজন ‘বড়’ হয়ে ওঠা পুত্র এসব সহ্য করবে কেন? কাঠের পুতুলের নিরাবেগ নমস্য পিতা তার লাগবে কেন? না, পুত্রের জন্য এমন পিতার প্রয়োজন আদতেই নেই। এ জন্যই ইতিহাস বলে, পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক গোত্রপতি ও রাজা পুত্রের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদে নিহত হয়েছে। পৃথিবীর মানুষ-পুত্ররা চাইলে নিজেই নমস্য হয়ে উঠতে পারে, সেখানে শুধুই নমঃ নমঃ করার জন্য একজন পিতার অস্তিত্ব নিষ্প্রয়োজন।
প্রাচীনকালে প্যাগান-ধর্মের অনুসারী পিতারা আসলে পুত্র-কন্যার পিতা হয়ে উঠতে পারত না। তাদের সন্তানাদি থাকলেও তারা অনেকটা নিজের অনিচ্ছাতেই সামাজিক কিছু রীতিনীতির পিতা হয়ে যেত। ভারতের অনুন্নত প্রদেশগুলোতে এখনো এমনটা আছে। একেশ্বরবাদী ধর্মগুলোতে এমনটা কম ধর্মসংশ্লিষ্ট সামাজিক আচার খুবই কম থাকার কারণে। সন্তানদের পিতার বিরুদ্ধে সমরে নামার অন্যতম একটা কারণ পিতাটির সামাজিক পিতা হয়ে যাওয়া।
একান্তই ইন্দ্রীয় সর্বস্ব প্রাণী হিসেবে মানব শিশুর জন্ম। ইন্দ্রিয় দ্বারা তাড়িত হলেও ধীরে ধীরে সে নানাভাবে নানা প্রক্রিয়ায় একজন সামাজিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে। পৃথিবীতে আসার পর একটি নবজাতক যখন ধীরে ধীরে সমাজ নামক বলয়টির মুখোমুখি হয়, তখন সেখানে সবচে প্রভাব ফেলে ধর্ম। শৈশবকাল থেকে যে ব্যক্তি যে ধর্মে বিশ্বাসী, সে ব্যক্তি সেই ধর্মীয় মূল্যবোধের মাধ্যমে লালিত হয় এবং সেই ধর্মীয় বৈশিষ্ট্যগুলো পরবর্তীকালে তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে প্রতিফলিত হয়। পিতার পেশা, চরিত্র ও সামাজিক ইমেজের ক্ষেত্রেও একই কথা। এটা প্রচলিত খুবই সাধারণ নিয়ম। সতত এমনটা না-ও ঘটতে পারে। আর যখনই এই নিয়মের বিপরীত ঘটে, তখন মমতাবান পিতা তার পুত্রের জন্য ভয়ঙ্কর সামাজিক পিতা হয়ে ওঠেন, পিতা-পুত্রের দ্বৈরথ উত্যুঙ্গে ওঠে। যেহেতু পিতাটি সামাজিক পিতা হয়ে ওঠেন, সেহেতু অবশ্যই তিনি তার সমাজ-ধর্মের পুরোহিত-ইমাম হন; নিদেনপক্ষে একজন নিষ্ঠাবান কর্মী তো হনই।
পিতা চান তার পুত্র ডাক্তার হোক। পুত্র জানে সে তার পিতাকে কতটা ভালোবাসে; সে-ও চেষ্টা করে একজন ডাক্তার হয়ে উঠতে। কিন্তু তার রক্তে ও রগে রগে বইছে অভিনয়। কেবল অভিনয়টাই সে দেহ-মন এক করে করতে পারে। এখন কি ছেলেটি নিজের ভেতরের সত্তাকে ধীরে ধীরে নিঃশেষ করে ডাক্তার হয়ে উঠবে? কিংবা কোনো পিতা চান তার ছেলেটি প্রযুক্তিবিদ হবে। কিন্তু ছেলেটির জন্ম কবিতার জন্য। ছেলেটি পিতার পুত্র যেমন, কবিতারও পুত্র। তখন? কিংবা ছেলেটি মজে আছে এক রূপসী নিসর্গিনীর প্রেমে। এক হৃদয়ে আরেক হৃদয় মিশিয়ে প্রেমের নক্ষত্র রচনা করেছে। কিন্তু বিবাহপূর্ব প্রেম তার পিতা ও তার ধর্মে? ভিন ধর্মের মেয়ের সাথে বিয়ে? ইম্পসিবল। ছেলেটি জানে, মা মারা যাবার পর থেকে একটি রাতেও তাকে সাথে না নিয়ে খায়নি এই পিতা! ছেলেটি কি পিতার মুখ রাখতে গিয়ে নিজেই নিজেকে প্রতি মুহূর্তে খুন করবে? কিংবা কোনো এক ইমামপুত্র ঈশ্বরে বিশ্বাস করার মতো পর্যাপ্ত উপাদান না পেয়ে প্রথমে সংশয়বাদী ও পরে নাস্তিক হয়ে গেলে? অথচ ছেলেটি জানে, সে-ই তার মহিয়ান পিতার একমাত্র স্বপ্ন-সাধ, প্রতি রাতে তাহাজ্জুদের নামাজে তার কল্যাণ কামনায় পিতার চোখের পবিত্র জল সে টের পায়! ছেলেটিও একসময় ভাবত, তার পিতার স্বপ্ন সে পূরণ করবে। জাঁদরেল আলেম, মুত্তাকি হবে। কিন্তু সে তার চিন্তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে কী করে বাঁচবে?
পৃথিবীতে এরচে বড় ট্রাজেডি হতে পারে না। এ যেন দু’ধারি তরবারি।
পৃথিবীতে প্রতিটি আত্মার স্বকীয়তা আছে, প্রতিটি প্রাণের নিজস্ব চেতনা আছে। এক হৃদয় আরেক হৃদয়ে যতোই মিলেমিশে একাকার হয়ে যাক, দুটি হৃদয় ভিন্ন; চিন্তায়, মননে। পুত্র যতোই পিতার প্রতিচ্ছবি হোক, পুত্র ভিন্ন একটি মানুষ। পুত্রের সত্তার পুরোটা জুড়েই পিতা থাকুক না কেন, সত্তাটা পিতার নয়; পুত্রেরই। দুটি ভিন্ন আত্মার বাহক হিসেবে পিতা-পুত্রের দ্বৈরথ, অমিল হতেই পারে, দুজন প্রাপ্তবয়স্ক স্বয়ংসম্পূর্ণ মানুষের চেতনা, যাপিত জীবনের গতিপথ কিংবা স্বপ্ন বিচিত্র হতেই পারে। তাই বলে মানুষকে ভালুক বা অন্যকিছু হয়ে গেলে চলবে না। পিতা ভালুকের একটি অভ্যাস হচ্ছে নিজের সন্তানকেও খেয়ে ফেলা।
আজকাল সংবাদপত্রগুলোতে পিতা-পুত্র দ্বন্দ্বের নানা লোমহর্ষক কাহিনি ছাপা হয়। খুবই ছোট ছোট স্বপ্ন, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আশা ভেঙে যাওয়ায় একজন আরেকজনের ওপর চড়াও হয়। অথচ পিতা-পুত্রের সম্পর্ক এইসব স্বপ্ন মান অভিমান উদ্দামতা থেকে কত পবিত্র, কত মহিয়ান।
একজনকে ত্যাগ দিতে হবে। দু’ধারি তরবারির একটা পার্শ্ব ভোঁতা করে দিতে হবে। আমি যখন কিশোর ছিলাম, ছোট ছোট অনেক স্বপ্ন দেখতাম। কিন্তু আমার নিম্নমধ্যবিত্ত পিতার মুখে যখন তাকাতাম, তামাটে সেই উজ্জ্বল চেহারায় আমি আমার সকল ক্ষুদ্র স্বপ্ন দাফন করে দিতাম। আমি দেখতাম, আমার এ স্বপ্নটি পূরণ করতে পিতার খুবই কষ্ট হবে। তাঁর উত্তপ্ত শরীর থেকে গড়িয়ে পড়া প্রতিটি স্বেদবিন্দু আমার চোখে চকচক করে উঠত। দু’মুঠো ভাত পেলেই আমার পিতা খুশি হন। মাটির মানুষ, পৃথিবীর রিয়েলিটি হয়তো আপন শৈশবেই বুঝে নিয়েছেন। পৃথিবীর অপর নাম তো ভাতই, নাকি! ধর্মকর্ম ঠিকঠাক পালন, সন্তানদের নিয়ে হাসি-খুশি বাঁচতে পারলেই তার জীবন সার্থক। ঠিক তখনই, ক্ষুদ্র স্বপ্নগুলি দাফন করে একটা বড় স্বপ্ন দেখেছি। জনকের মুখে হাসি। টের পেলাম, স্বপ্নপূরণের আনন্দের চেয়ে জনকের মুখের হাসি বেশি ভালো লাগছে। আমার বুকে সদ্যই জেগে ওঠা স্বপ্নভূমির চে পিতার বিশ বছরের প্রাচীন প্রেম দামি। আমার দুদিনের স্বপ্নের জন্য বিশ বছরের পিতাকে নিশ্চল করে দিতে পারি না। আমার ভালোবাসার প্রেয়সীর জন্য আমি যাকে আমার দ্বিতীয় আত্মা বলি; আমাকে অস্তিত্ব দানকারী মানুষটির ভেঙে ভেঙে নিঃশেষ হয়ে যাওয়া দেখতে পারি না। এ ঘোর অন্যায়। সুন্দর চন্দ্রটি খসে পড়লে পড়ুক, সূর্যটিকে থাকতে হবে।
সন্তানের উচিত পিতার স্বপ্নকে প্রাধান্য দেয়া। মেধাবী হলে, পিতার স্বপ্ন পূরণ করেও নিজের স্বপ্ন পূরণ করা যায়। আমি জানি, এটা কতটা কষ্টের। কবিতার পুত্র হয়েও যখন শারীরবিদ্যা চর্চা করতে হবে বা তুখোড় চিত্রশিল্পী হয়েও যখন কোনো প্রাণীর ছবি আঁকতে পারবেন না, মরে যেতে ইচ্ছে করবে আপনার। রাতের বালিশ ভিজবে, মনে হবে এই বালিশটি আগুনের হলেই তো কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যেত। মুখ দিয়ে কথা বেরোবে না, চোখ দিয়ে পানি পড়বে না, শুধু জবাই করা গরুর মতো তীক্ষè ঘরঘর শব্দ অনুভব হবে। অনেক সময় পিতা মূর্খ হন, জ্ঞানী সন্তানকে ঠিকঠাক বুঝে উঠতে পারেন না। একটি প্রতিভাকে সমাজের গুহায় আটকে রাখতে চান। পৃথিবীর অনেক মনীষাই পিতার অজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন, কিন্তু তারা এ সমস্যাটা কাটিয়ে উঠেছেন। পিতা-পুত্রের দ্বৈরথটা সৃষ্টি হয় একে অপরকে কুয়াশার চোখ দিয়ে দেখার কারণে। পুত্রের কর্তব্য, ক্রিস্টাল চোখ দিয়ে পিতাকে দেখা; পিতার জলমুখ অনুভব করা; ব্যস। থাকুক না প্রিয়তম কাঁটাতার আঙুলে বিঁধে!

